By Nighat Fabian 🕒 জুল 7, 2024

জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা, বাড়তে পারে আক্রান্ত এলাকা


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং দেশের অভ্যন্তরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চলমান বন্যায় ১৫ জেলায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। উজানের ঢলের সাথে মিলে জুনের মাঝামাঝি থেকে দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই সময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ডুবে যায়। পরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলাতেও বন্যা দেখা দেয়।

তথ্য অধিদপ্তর থেকে পাওয়া সূত্রানুযায়ী, ১৫টি জেলার বাসিন্দারা এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। এর মধ্যে  জামালপুর, গাইবান্ধা, ফেনী, রাঙ্গামাটি, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ,  সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট ও কক্সবাজার জেলা অন্তর্ভুক্ত।  এছাড়া অন্যানো জেলা আংশিক বন্যাকবলিত।
 

শনিবার (৬ জুলাই), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেন।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনগুলো থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, 'এখন পর্যন্ত ১৫ জেলায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তবে কেউ মারা গিয়েনি।' তাঁরা বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৩৬,২২৩ জন মানুষ অবস্থান করছেন বলেও জানান।

ওই ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির অবনতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা  বাড়তে পারে বলে জানান।  দক্ষিণ দিকের বিভিন্ন এলাকাও প্লাবিত হতে পারে। তিনি বলেন, "সেসব জায়গাতে আমরা কাজ করব।"

রোববার (৭ জুলাই), পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২২টি পয়েন্টে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী বন্যা পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারে। এ জুলাইর মধ্যে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে, তবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে যেটি একাধিক দিন পর্যন্ত সময় নেয়।





 

Join with us

পাঠান

Subscribe Now

Keep updated with the latest news!